কিউবা সরকার গতকাল শুক্রবার জরুরি ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে, যার লক্ষ্য হচ্ছে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে আরও খারাপ হওয়া জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা।
এর মধ্যে রয়েছে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলোর জন্য চার দিনের কর্মসপ্তাহ চালু করা এবং জ্বালানি বিক্রয়ের ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করা।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
উপ-প্রধানমন্ত্রী অস্কার পেরেজ-অলিভা ফ্রাগা এই সংকটের জন্য ওয়াশিংটনকে দায়ী করেছেন।
তিনি কিউবার টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সরকার ‘উন্নয়নের হাতছাড়া না করেই আমাদের দেশের প্রাণশক্তি এবং প্রয়োজনীয় পরিষেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রথম ও সর্বাগ্রে একাধিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘জ্বালানী ব্যবহার করা হবে জনসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা এবং অপরিহার্য অর্থনৈতিক কার্যক্রম রক্ষার জন্য।’
পেরেজ-অলিভা ফ্রাগা বলেন, ‘নতুন ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে: রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলোর কর্মসপ্তাহকে সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চার দিনে সীমিত করা, জ্বালানী বিক্রয়ের ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ, প্রদেশগুলোর মধ্যে বাস ও ট্রেন সেবার সংখ্যা কমানো এবং নির্দিষ্ট পর্যটন প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করা।’
১৯৬২ সাল থেকে মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার অধীনে ৯৬ লাখ বাসিন্দার এই দ্বীপরাষ্ট্র ছয় বছর ধরে তীব্র অর্থনৈতিক সংকটে নিমজ্জিত রয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহ ধরে কমিউনিস্ট সরকারের ওপর চাপ বাড়িয়েছে।
জানুয়ারির শুরুতে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর, হাভানার গুরুত্বপূর্ণ মিত্র ভেনেজুয়েলা থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেয় যুক্তরাষ্ট্র।